‘মাথা থেকে একটা পথ বেরালো,
বেরিয়ে তোমার বাড়ির কার্নিশ ছুঁইয়ে
ঘুরপাক খেতে খেতে ভেসে গেলো
অসংখ্য গাংচিল আর নাম না জানা পাখির সঙ্গে
পাল্লা দিয়ে পলকা বাতাসে সাঁতরাতে থাকলো পথ।
মনে পড়ে গেলো তোমার কমলা রঙের কাপ্তানের কথা,
তোমার পায়ের উঠে যাওয়া খয়েরী রঙের নেলপালিশের কথা
আর পথ পৌঁছে গেলো নন্দীবাবুর খামারে।
পথের কোনো বাসা নেই
কোথায় কোথায় যে পৌঁছায় পথ
কখনো পৌঁছে যায় সিউড়ির বিদ্যাসাগর কলেজে প্রচন্ড গরমে।
আর কখনো সল্টলেকে, কখনো মহাজাতি সদনে।
এ পথ বেপথ ঘুরতে ঘুরতে
যখন ঘরে বাড়ির কোলে এসে বসি
অন্ধকারে বা আলোয়
মনে হয় অনেক কিছু বলি
বলতে পারিনা.।
৮ তারিখ সন্ধ্যেবেলা, স্থান কলকাতা বইমেলা, অভিযান এর স্টল। শিলাজিতের সাথে আলাপ করিয়ে দিলো মারুফদা। তারপর সিগনেচার এর ফাঁকে ফাঁকে একটু আড্ডা হলো। ভাবলাম এবারের গপ্পোটা ওনাকে দিয়েই হোক না কেন?
অনেক আগে আমি যখন খুব ছোট ছিলাম অর্থাৎ আমাদের বাড়ির ছোট ‘ন্যাশনাল প্যানাসনিক” টা তখন আবদার মেটাতো আর সেটা তখন দাদার খপ্পরে, তখন আমাকে দাদা প্রথম শোনায় শিলাজিতের ক্যাসেট, ভূমিকা। নচিকেতার জনপ্রিয়তায় কামড় দিতেই তার আবির্ভাব ভাবলাম। জিন্স,গিটার, দাড়ি…সেভাবেই প্রচার করা হয়েছিল। কিন্তু তখন বাচ্চা, ‘ঘুম পেয়েছে বাড়ি যা’ শুনেই আত্মহারা। আরেকটা ‘প্রেম যেন ওয়েসিস’ …এটা কেন জানিনা ভাল লাগতো ( যদিও বুঝতাম না )। দাদার হাত ধরেই গুরুদাস কলেজে গেছি লাইভ প্রোগ্রাম দেখতে। তারপর আর খেয়াল নেই।
এর অনেক অনেক পর বন্ধুদের মুখে শুনলাম x=প্রেম বলে নাকি একটা অ্যালবাম আছে। সেটা যোগাড় করে শুনলাম। একটা অদ্ভুত আনন্দে যেন মনটা ভরে গেছিল। হ্যাঁ, আমি যেটা খুঁজছিলাম সেটা পেলাম যেন মনে হলো। সারা অ্যালবাম জুড়ে একটা মাদকতা, রোমান্টিসিস্ম্ , অপূর্ব আবহ সেই সঙ্গে গায়কের সাহসী কন্ঠস্বর। বাংলা গানের মধ্যে যে একটা নরম-সরম ভাব থাকে সেটা একদম নেই, শুনেই মনে হয় সিনেমার মতো শোষিত ও অত্যাচারিত পাড়ার মধ্যে থেকে একটা যুবক হাতা গুটিয়ে এগিয়ে এসেছে ভিলেনের মোকাবিলা করতে। একটা টেলিভিশন প্রোগ্রামে ওর গলায় ‘বচকে রেহনা রে বাবা’ শুনেছিলাম, মনে হলো গানের জগতেও গুন্ডামি করা যায়। গানটা কিশোরকুমারের মতোও গাওয়া যায়, আবার শিলাজিতের মতোও গাওয়া যায়। চিরকাল লোকে কিশোরের মতো গেয়ে এসেছে, শুনে ভাবলাম চিরোকেলে আ-তু-তু ভাবের প্রতি পাঞ্চ মারার লোক এলো।
ফিসফিস-এর ভেতর থেকে ২-১ টা গান প্রথমে শুনলাম। দূর তেমন ভাল লাগলো না। কয়েকদিন আগেই একটা শোতে শুনেছিলাম ফিসফিস এর গান।
এর কয়েকদিন পর রাতে কানে হেডফোন গলিয়ে শুনতে বসেছিলাম ফিসফিস। আর পরের কয়েকদিন জোরে কথা বলতে পারিনি। এরকম অ্যালবাম আর হবে বলে মনে হয়না। আর ১ বছর পর অ্যালবামটা হেবি পপুলার হবে। মিলিয়ে নিস আমার কথা।
সর্বনাশ আর নতুন করে কি হবে?

Filed under: Blogroll Tagged: | boimela bookfair kolkata 2008 silajit praptomonoshkoder
Enable the support for complex script and Eastern Asian language support from Regional and Language Option in Control panel. 

GURU KI UPAYE BOLO NAA….TUMI SOB KHOLO MON KHOLO NAA KHOLO NAA KHOLO NAA…
FISH MANEY MAACH
PAAGOL KENA PAAGOL?
KANNA THAMA DAAI; BOJHEN JARA BOSEN TARA BAKIRA DARAAI
(aNtel shala) thik bolechen
DOHAAI AAMAI KEU PAGOL BOLO NAA
TOMRAA KOPAL THOKO NOROM GODITEY, JAPTEY DHORWNI TOBU, KINTU, JODI TEY, GHASER BUKEY PAA DIYE AKASHEY JHOLO NAA……